Skip to main content

View My Full Profile


Tridev
Tridev Choudhury

About me

Hi, this is my virtual home and I am really thrilled that you are here! If you love music, literature, science, philosophy or you simply love reading for the sake of it, you will feel right at home here. Please share your email to get notification about new posts.
I have spent the last two years in developing entrepreneurs. I am a banker by profession with over thirty years of experience. I am also a writer, TV host, science enthusiast, lover of literature, pupil of philosophy and I am mad about music as well. You can call me a near perfect example of 'Jack of all trades, but ...'
I am a father of two precious children (Raka, my daughter and Apratim, my son). It's only because of the continuous push from my daughter to open a blog of my own and backed by regular support from my son that this blog could come into existence. I am thankful to Mausumi, my wife, for gifting them to me and for shaping them as what they are now. Besides managing our little home, Mausumi sings, acts on stage and takes part in social work. The most amazing thing about her is that she cares about everyone living on this planet.
My wife, son, and I live in a small town called Silchar in Assam, India. My daughter and her husband are presently living in Europe both involved in scientific research.

About the blog

Why should you read my blog?
If you love music, literature, science, philosophy or you simply love reading for the sake of it, you will feel right at home here.
What will you get out of my posts?
Food for thought served with a strange cocktail of honesty, logic, emotion and humor.
Which types of posts do I write?
I don't limit myself to a fixed topic. I talk about a variety of things and share my thoughts and experience. People having diverse taste from every field would relate to this blog, I believe.
Why does my blog have credibility?
Experience is one thing that we never get to buy in any market. I talk from my heart and from my lifelong experience. But, again, I am still learning. I also love to share things as I discover them.
How did this site get started?
This blog is a part of me. I started this because I felt I can add something different, something meaningful to the conversation we all have in life. Here I talk to you, candidly. All credit goes to my children as I have said. And, may be the passion I had for writing popular science articles in my college days hasn't extinguished fully.
Final Words
If you have anything in mind please feel free to share. I would love to hear from you, so do leave me comments about what you thought about my simple and inane 'talks'. Please share your email or like my facebook page to get notification about new posts.
Enjoy!

Comments

Popular posts from this blog

বড্ড কাঁটা, আস্তে গিলিস!

সন্ধে থেকেই বৃষ্টি পড়ছিল। গিন্নী যুত করে বানিয়েছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় পদ সরষে ইলিশ। খুব মজা করে খাচ্ছিলাম। গিন্নী বলছিলেন বটে রাতের বেলায় সরষে বেশি খেও না, পেট গরম হবে, বয়স তো কম হয় নি ইত্যাদি। সরষে ইলিশের সাথে এরকম ঘ্যানর ঘ্যানর করলে মানায় কখনো, বলুন! আমি সেদিকে কান না দিয়ে গপাগপ খেয়েই যাচ্ছিলাম। মাঝখানে গলায় একবার কাঁটা ও আটকে গেছিল। যাই হোক, খেয়েদেয়ে তারপর ঠিক এগারোটায় শুয়ে পড়েছি। মাঝরাতে হঠাৎ কলিং বেলের শব্দে ঘুমটা ভেঙে গেল। ঘুমচোখে দরজা খুলে দেখি, একি! আমার তিনতলার ফ্ল্যাটের দরজায় দাঁড়িয়ে স্বয়ং কিশোর কুমার !!!
পরনে একটা ঢিলে জোব্বা মত পোষাক। এরকম একটা অদ্ভুত সাজে আগে তাঁকে কখনো দেখি নি। কিশোর কুমার তো একটু ইয়ে - মানে মাথায় একটু ছিট তো আগে থেকেই ছিল। নিজের বাড়ীতে না কি সাইনবোর্ড লাগিয়েছিলেন, ‘কিশোর কুমার হইতে সাবধান!’ সবই মুডের ব্যাপার। আজকের পোষাকটা ও সেই মুডেরই বহিঃপ্রকাশ হবে হয়তো। সাথে কে একজন লম্বা, দাড়ি অলা, বুড়ো মত লোক। কোথায় যেন দেখেছি লোকটাকে। লোকটা পরে আছে কোট প্যাণ্ট, আর হ্যাট। অনেকটা যেন কিশোর কুমার স্টাইল। যাই হোক, মাঝরাতে কিশোরদা কে দেখে আমার তো আক্কেল গুড়ুম। …

অচিন পাখী

ক্লাস নাইনে আমার এক স্যার বলেছিলেন, ‘চাইলে তুমি ফিউচারে যেতে পারবে।‘ মনটা আনন্দে নেচে উঠেছিল। টাইম মেশিনের গল্প আগেই পড়া ছিল। সেটা তাহলে এবার সত্যি হতে চলেছে? জানতে চেয়েছিলাম, কীভাবে? জবাবে স্যার যা শুরু করলেন, তাতে আমার মাথা ঝিমঝিম করতে লাগল। বাপ রে বাপ। বেজায় কঠিন। আগে জানলে একটু ও উৎসাহ দেখাতাম না। আমার মনমরা ভাব দেখে স্যার বললেন, ‘অঙ্কে যাদের আতঙ্ক তাদের জন্য এসব বোঝা মুশকিল।‘ ‘ভালো ভালো জিনিষ তো জানতে ইচ্ছে করে। কিন্তু তাই বলে অঙ্ক? আমি ওতে নেই।‘ জোরে বলার সাহস নেই। তাই মনে মনেই বললাম। পরে যদি ও বিজ্ঞান শেখার দায়ে অঙ্ক আমাকে শিখতে হয়েছিল। সেসব তো স্টুডেণ্ট লাইফের কথা। এখন ভাবি, আমার মত আরো অনেকেই নিশ্চয় আছেন যারা বিজ্ঞানের নতুন নতুন ব্যাপার জানতে আগ্রহী। কিন্তু ঘুরেফিরে সমস্যা ওই এক জায়গায়। ড্রাগনের মত ভয়ঙ্কর আগুনে অঙ্ক! সেই দুঃখের জায়গা থেকেই নিজেকে একটা চ্যালেঞ্জ দিয়েছি। বিনা অঙ্কে বিজ্ঞানের কথা বলব। যাতে ক্লাস নাইনের ছাত্র ও বুঝতে পারে। টাইম মেশিনে চড়ে যদি অতীত বা ভবিষ্যতে যেতে হয় তবে প্রথমেই যে প্রশ্নটি আসবে তা হল অতীত, ভবিষ্যত, বর্তমান কাকে বলে? এটা আদৌ কঠিন নয়। স্কুলে ত…

নাটকঃ লিগ্যাসি কোড ১৯-০৫-১৯৬১

ছোটবেলায় পড়েছিলাম কলম নাকি তলোয়ারের চেয়ে অনেক ধারালো, অনেক শক্তিশালী। এতদিন তাই ভাবতাম। এখন লিখতে বসে কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে। বুধবার বঙ্গভবনে যে নাটক দেখলাম তাকে কাগজের পাতায় ফুটিয়ে তোলার কনফিডেন্স অন্ততঃ আমার কলমে নেই। নাট্যকার অরিজিৎ আদিত্য ও নির্দেশক অভিনেতা সুব্রত রায়ের প্রতিভার সামনে নতজানু হয়ে এ লেখা লিখছি।
গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ ডঃ রাজীব কর নাটকটি প্রথমবার মঞ্চস্থ হয়েছিল দিল্লীতে। এবার শিলচরে হল। এ নাটকের যেটা ক্যানভাস, দুরূহ বাংলায় যাকে বলে পটভূমিকা, সেটা বরাক উপত্যকার তো বটেই গোটা অসমের সবারই জানা। তবে ভারতবর্ষের বেশির ভাগ লোকই এ নিয়ে খুব একটা কিছু জানেন না।
গল্পের মুখ্য চরিত্র অর্জুন নমশূদ্র এক ‘ডি-ভোটার’। এই ‘ডি-ভোটার’ বা ডাউটফুল ভোটার শব্দটি অসমের বাঙালীদের জন্যে আতঙ্কের অপর নাম। কারো নামে একবার যদি এই ‘ডি-ভোটার’ নোটিস আসে তবে তিনি নিজভূমেই পরবাসী হয়ে গেলেন। তাঁকে এবার আদালতে প্রমাণ করতে হবে তিনি ভারতের নাগরিক। মাননীয় গৌহাটি হাইকোর্টের আদেশ মত বিচার না হওয়া পর্যন্ত ‘ডি-ভোটার’ দের ডিটেনশন ক্যাম্পে আটক করে রাখতে হয়। রাজ্যের অনেক জায়গায় জেলগুলিকেই ডিটেনশন ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহা…